ঐতিহাসিক মদিনা সনদ (The Treaty of Medina)

ঐতিহাসিক মদিনা সনদ (The Treaty of Medina in Bangla)

বিস্মিল্লাহির রহমানীর রহীম

(১) এটি আল্লাহর নবী মহাম্মদ (সা.)-এর ঘোষণাপত্র যা কুরাইশদের অন্তর্ভুক্ত মুসলমান ও মু’মিনদের এবং ইয়াসবিরবাসী ও তাদের অধীনস্থ হয়ে যারা সম্মিলিতভাবে জেহাদে অংশগ্রহণ করবে তাদের জন্য প্রযোজ্য।

(২) সমগ্র মানবজাতি থেকে পৃথক এরা এক স্বতন্ত্র উম্মাহ্ ।

(৩) হিজরতকারী কুরাইশরা তাদের পূর্ববর্তী নিজ অবস্থায় বহাল থাকবে, তাদের পারস্পরিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের পূর্ববর্তী নীতি অক্ষুন্ন থাকবে। তারা নিজেদের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তিপণ আদায় করবে যেন মু’মিনদের মাঝে পারস্পরিক সুবিচার ও ন্যায়নীতি বজায় থাকে।

(৪) বানু আওফ গোত্রও তাদের পূর্ববর্তী নিজ অবস্থায় বহাল থাকবে, তাদের পারস্পরিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের পূর্ববর্তী নীতি অক্ষুন্ন থাকবে। প্রত্যেক দল তাদের নিজেদের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তিপণ আদায় করবে যেন মু’মিনদের মাঝে পারস্পরিক সুবিচার ও ন্যায়নীতি বজায় থাকে।

(৫) বানু হারেস বিন খাযরাজ গোত্রও তাদের পূর্ববর্তী নিজ অবস্থায় বহাল থাকবে। তাদের পারস্পরিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের পূর্ববর্তী নীতি অক্ষুন্ন থাকবে। প্রত্যেক দল তাদের নিজেদের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তিপণ আদায় করবে যাতে মু’মিনদের মাঝে পারস্পরিক সুবিচার ও ন্যায়নীতি বজায় থাকে।

(৬) বানু সায়েদা গোত্রও তাদের পূর্ববর্তী নিজ অবস্থায় বহাল থাকবে। তাদের পারস্পরিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের পূর্ববর্তী নীতি অক্ষুন্ন থাকবে। প্রত্যেক দল তাদের নিজেদের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তিপণ আদায় করবে যাতে মু’মিনদের মাঝে পারস্পরিক সুবিচার ও ন্যায়নীতি বজায় থাকে।

(৭) বনু জুশাম গাত্রও তাদের পূর্ববর্তী নিজ অবস্থায় বহাল থাকবে। তাদের পারস্পরিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের পূর্ববর্তী নীতি অক্ষণ্ন থাকবে। প্রত্যেক দল তাদের নিজেদের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তিপণ আদায় করবে যেন মু’মিনদের মাঝে পারস্পরিক সুবিচার ও ন্যায়নীতি বজায় থাকে।

(৮) বনু নাজ্জার গোত্রও তাদের পূর্ববর্তী নিজ অবস্থায় বহাল থাকবে। তাদের পারস্পরিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের পূর্ববর্তী নীতি অক্ষুন্ন থাকবে। প্রত্যেক দল তাদের নিজেদের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তিপণ আদায় করবে যেন মু’মিনদের মাঝে পারস্পরিক সুবিচার ও ন্যায়নীতি বজায় থাকে।

(৯) বনু আম্র বিন আওফ গোত্রও তাদের পূর্ববর্তী নিজ অবস্থায় বহাল থাকবে। তাদের পারস্পরিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের পূর্ববর্তী নীতি অক্ষুণ্ন থাকবে। প্রত্যেক দল তাদের নিজেদের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তিপণ আদায় করবে যাতে মু’মিনদের মাঝে পারস্পরিক সুবিচার ও ন্যায়নীতি বজায় থাকে।

(১০) বনু নাবিত গোত্রও তাদের পূর্ববর্তী নিজ অবস্থায় বহাল থাকবে। তাদের পারস্পরিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের পূর্ববর্তী নীতি অক্ষুন্ন থাকবে। প্রত্যেক দল তাদের নিজেদের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তিপণ আদায় করবে যাতে মু’মিনদের মাঝে পারস্পরিক সুবিচার ও ন্যায়নীতি বজায় থাকে।

(১১) বনু আউস গোত্রও তাদের পূর্ববর্তী নিজ অবস্থায় বহাল থাকবে। তাদের পারস্পরিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের পূর্ববর্তী নীতি অক্ষুণ্ন থাকবে। প্রত্যেক দল তাদের নিজেদের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তিপণ আদায় করবে যেন মু’মিনদের মাঝে পারস্পরিক সুবিচার ও ন্যায়নীতি বজায় থাকে।

(১২-ক) মু’মিনরা কখনই তাদের কোনো ঋণগ্রস্ত ও বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে ন্যায়সঙ্গত ও যথাযত মুক্তিপণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদান না করা অবস্থায় পরিত্যাগ করবে না।

(১২-খ) এক মু’মিন অন্য মু’মিনের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোনো মিত্রের বিরোধিতা করবে না।

(১৩) নিশ্চয়ই খোদাভীরু মু’মিনরা তাদের মাঝে বিদ্রোহী, চরম নির্যাতনকারী, সীমালঙ্ঘনকারী, মু’মিনদের মাঝে বিশৃঙ্খলা ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারীর বিরুদ্ধে সে তাদের সন্তান হলেও সম্মিলিতভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

(১৪) কাফির হত্যার দায়ে এক মু’মিন আরেক মুমিনকে হত্যা করবে না আর কোনো মু’মিনের বিরুদ্ধে সে কাফিরকে সাহায্য করবে না।(১৫) নিশ্চয়ই আল্লাহ্-প্রদত্ত নিরাপত্তা সবার জন্য সমান। নগণ্যতম ব্যক্তিও আশ্রয় প্রদানে সক্ষম। অন্য সকলের তুলনায় মু’মিনরা একে অপরের মিত্র।

(১৬) আর ইহুদীদের মাঝে যে ব্যক্তি আমাদের আনুগত্য ও অনুসরণ করবে সে আমাদের সাহায্য ও সম-অধিকার লাভ করবে। এ ধরনের লোকদের বিরুদ্ধে কোনো যুলুম করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্যও করা হবে না।

(১৭) নিশ্চয়ই মু’মিনদের পক্ষ থেকে সম্পাদিত ‘সন্ধি’ হবে এক ও অভিন্ন। আল্লাহর পথে কোনো যুদ্ধ সংঘটিত হলে কোনো মু’মিন এককভাবে নিজের পক্ষ থেকে এমন কোনো চুক্তি করতে পারবে না যা সবার জন্য সমভাবে প্রযোজ্য নয়।

(১৮) আমাদের সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক সেনাদল পালাক্রমে বিরতি লাভ করে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবে।

(১৯) আল্লাহর পথে রক্তক্ষয়ের প্রতিশোধ মু’মিনরা সম্মিলিতভাবে গ্রহন করবে।

(২০ক) নিশ্চয়ই খোদাভীরু মু’মিনরা সর্বশ্রেষ্ঠ ও দৃঢ়তম আদর্শে প্রতিষ্ঠিত।

(২০খ) মদীনার কোনো মুশরিক কুরাইশ গোত্রের কাউকে ধন-সম্পদের বা জীবনের আশ্রয় দিতে পারবে না। একইভাবে সে কোনো মু’মিনের বিরুদ্ধে কোনো অমুসলিমকে সাহায্য করতে পারবে না।

(২১) কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মু’মিনকে হত্যা করলে তাকেও প্রতিশোধস্বরুপ হত্যা করা হবে। তবে হত্যাকৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা রক্তপণ নিতে সম্মত হলে সে কথা ভিন্ন। সকল মু’মিনের জন্য এই বিধান অবশ্য পালনীয়, এ ছাড়া অন্য কোনো পদ্ধতি তাদের জন্য বৈধ নয়।

(২২) এই ঘোষনাপত্র মান্যকারী এবং আল্লাহ্ ও পরকালে বিশ্বাসী কোনো মু’মিন কোনো নব সংযোজনকারীকে সাহায্য বা আশ্রয় প্রদান করলে তার ওপর কিয়ামত দিবসে আল্লাহর অভিশাপ ও ক্রোধ বর্ষিত হবে। আর তার কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ এবং মুক্তিপণ গ্রহন করা হবে না।

(২৩) আর তোমরা যখনই পারস্পরিক কোনো মতবিরোধে লিপ্ত হবে তখন বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য আল্লাহ্ ও মুহাম্মদ (সা.)-এর শরণাপন্ন হবে।

(২৪) মু’মিনরা যতদিন যুদ্ধরত থাকবে ইহুদিরাও তাদের সাথে যুদ্ধব্যয় বহন করে যাবে।

(২৫) বনু আওফ গোত্রের ইহুদিরা মু’মিনদের সাথে একই উম্মতভুক্ত বলে গণ্য হবে। ইহুদিদের জন্য তাদের ধর্ম, মুসলমানদের জন্য তাদের ধর্ম। একই কথা এদের মিত্রদের এবং এদের নিজেদের জন্য প্রযোজ্য। তবে যে অত্যাচার করবে এবং অপরাধ করবে সে কেবল নিজেকে এবং নিজ পরিবারকেই বিপদগ্রস্ত করবে।

(২৬) বনু নাজ্জারভুক্ত ইহুদিদের অধিকার বনু আওফ গোত্রের ইহুদিদের সমান।

(২৭) বনু হারেসভুক্ত ইহুদিদের অধিকার বনু আওফ গোত্রের ইহুদিদের সমান।

(২৮) বনু সায়েদাভুক্ত ইহুদিদের অধিকার বনু আওফ গোত্রের ইহুদিদের সমান।

(২৯) বনু জুশামভুক্ত ইহুদিদের অধিকার বনু আওফ গোত্রের ইহুদিদের সমান।

(৩০) বনু আওসভুক্ত ইহুদিদের অধিকার বনু আওফ গোত্রের ইহুদিদের সমান।

(৩১) বনু সা’লাবাভুক্ত ইহুদিদের অধিকার বনু আওফ গোত্রের ইহুদীদের সমান। তবে যে ব্যক্তি অত্যাচার করবে এবং অপরাধ করবে সে কেবল  নিজ পরিবারকে বিপদগ্রস্থ করবে।

(৩২) এবং ‘জাফনা’ উপগোত্রের ইহুদিদের অধিকার বনু সা’লাবা গোত্রেরই অংশ। এরাও তাদেরই মত পরিগণ্য হবে।

(৩৩) বনু শুতাইবা গোত্রের ইহুদিদের অধিকার বনু আওফ গোত্রের ইহুদিদের সমান। এ চুক্তি বাস্তবায়িত হবে, লঙ্ঘন করা হবে না।

(৩৪) এবং নিশ্চয়ই বনু সা’লাবার মিত্ররা তাদের সমকক্ষ হিসেবে পরিগণ্য হবে।

(৩৫) এবং নিশ্চয়ই ইহুদিদের অভ্যন্তরীণ উপগোত্রগুলো ইহুদীদের মতই সম-অধিকার ভোগ করবে।

(৩৬ক) কেউ মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুমতি ছাড়া সামরিক অভিযানে বের হবে না।

(৩৬খ) কোনো ক্ষত বা আঘাতের প্রতিশোধ গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো বাধা আরোপ করা হবে না। আর যে ব্যক্তি কারও অন্যায় রক্তক্ষয় ঘটায় সে তা নিজের এবং নিজ পরিবারের জন্য ঘটায়। তবে নিহত ব্যক্তি অপরাধী হলে সেটা ভিন্ন কথা। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তার প্রতি সন্তুষ্ট যে এ বিধানকে মান্য করে।

(৩৭ক) ইহুদিরা তাদের নিজেদের (যুদ্ধ-) ব্যয় নিজেরা বহন করবে আর মুসলমানরা তাদের নিজেদের (যুদ্ধ) ব্যয় নিজেরাই বহন করবে। আর যারা এই চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যারা যুদ্ধ করবে তাদের বিপক্ষে সাহায্য করা চুক্তিবদ্ধ সবার জন্য আবশ্যক হবে। চুক্তিবদ্ধ দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শুভকামনা ও সদুপদেশের সম্পর্ক থাকবে। তাদের মাঝে অন্যায় বা অপরাধের পরিবর্তে উদারতা ও মহানুভবতার সম্পর্ক বিরাজ করবে।

(৩৭খ) নিশ্চয়ই মিত্রের সাথে সম্পাদিত চুক্তি লঙ্ঘন করা হবে না। অবশ্যই নিপীড়িতকে সাহায্য করা হবে।

(৩৮) মু’মিনরা যতদিন যুদ্ধরত থাকবে ইহুদিরাও তাদের সাথে মিলিতভাবে যুদ্ধ-ব্যয় বহন করে যাবে।

(৩৯) ইয়ারিবের উপত্যকা এই চুক্তিতে আবদ্ধ শরীকদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ।

(৪০) প্রতিবেশীরা নিজেদের লোকদের মতোই নিরাপত্তা ভোগ করবে, তাদের কোনো ক্ষতিসাধন করা হবে না আর তারাও কোনো অপরাধে লিপ্ত হবে না।

(৪১) নগরবাসীর অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তির ‘আশ্রয়’ প্রতিষ্ঠিত হবে না।

(৪২) এই চুক্তিতে আবদ্ধ শরীকদের মাঝে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা দ্বন্দ্ব-কলহের ফলে কোনো নৈরাজ্যের আংশঙ্কা দেখা দিলে এর মীমাংসার জন্য আল্লাহ্ ও মুহাম্মদ (সা.)-এর শরণাপন্ন হতে হবে। আর যে এই চুক্তি সততার সাথে মান্য করে আল্লাহ্ তার সাথে রয়েছেন।

(৪৩) কুরাইশ এবং তাদের সহযোগীদের আশ্রয় দেওয়া চলবে না।

(৪৪) মদীনায় আক্রমণকারীদেরকে এই চুক্তিতে আবদ্ধ শরীকরা সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করবে।

(৪৫ক) আর এদেরকে (অর্থাৎ ইহুদিদেরকে) কোনো সন্ধি ও মৈত্রী স্থাপনের জন্য আহ্বান জানানো হলে তারা সন্ধি ও মৈত্রী স্থাপন করবে। একইভাবে এদেরকে (অর্থাৎ মুসলমানদেরকে) কোনো সন্ধি ও মৈত্রী স্থাপনের জন্য আহ্বান জানানো হলে সন্ধি ও মৈত্রী স্থাপন করা মু’মিনদের জন্য বাধ্যতামূলক হবে। তবে ধর্মীয় কারণে যুদ্ধ হলে সে কথা ভিন্ন।

*(৪৫খ) (ইয়াসরিব আক্রান্ত হলে) প্রত্যেক চুক্তিবদ্ধ শরীকদলের ওপর তাদের সম্মুখে অবস্থিত নগরাংশ সুরক্ষা করার দায়িত্ব বর্তাবে।

(৪৬) আওস গোত্রের ইহুদিরা এবং তাদের মিত্ররা এই চুক্তিতে আন্তর্ভুক্ত অন্যান্য শরীকদলের মতই অধিকার ও দায়দায়িত্ব রাখে। এই ঘোষণাপত্র সম্পাদনকারীদের কাছ থেকে তারা পূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লাভ করেছে। আর অপরাধী ব্যক্তি কেবল নিজ অপরাধের দায়দায়িত্বই বহন করবে। আর যে ব্যক্তি সততা ও নিষ্ঠার সাথে এই চুক্তি মেনে চলবে মহান আল্লাহ্ তার সাহায্যকারী।

(৪৭) এই চুক্তিপত্র কোনো অত্যাচারী বা চুক্তি লঙ্ঘনকারীর জন্য রক্ষাকবচ নয়। যে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার উদ্দেশ্যে বের হয় তার জন্য রয়েছে নিরাপত্তা আর যে ব্যক্তি (যুদ্ধে না গিয়ে) নিষ্ক্রিয় বাড়ীতে বসে থাকে তার জন্যও রয়েছে নিরাপত্তা। তবে যে অত্যাচার করে কিংবা চুক্তি লঙ্ঘন করে তার কথা ভিন্ন। যে ব্যক্তি সততা ও খোদাভীতির পথে অবিচল থাকবে আল্লাহ ও মুহাম্মদ (সা.) তার আশ্রয়দাতাও সহায় করেন।

* নোট: আবু উবায়দের বর্ণনা অনুযায়ী শর্তটি নিম্নরূপ: এরা (অর্থাৎ মুসলমানরা) যদি নিজ মিত্রদের কারও সাথে ইহুদিদেরকে সন্ধি করতে আহ্বান জানায় তাহলে তারা তাদের সাথে সন্ধি করবে। আর তারা (অর্থাৎ ইহুদিরা) আমাদেরকে একই ধরনের কোনো কাজে আহ্বান জানালে তা গ্রহণ করা মু’মিনদের জন্য আবশ্যক হবে। তবে যে ব্যক্তি ধর্মযুদ্ধ করছে তার কথা ভিন্ন।

সর্বশেষ চাকরীর খবর সবার আগে পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজে অথবা চাকরি বিষয়ক আপনার যেকোনো প্রশ্নের উত্তর ও তথ্য জানতে যোগদিন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে গ্রুপে যোগ দিয়ে আপনিও চাকরি বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারেন চাকরি প্রত্যাশী কাউকে।



Releted Jobs:

৫২ হাজার নতুন পদ সৃজন করা হচ্ছে!

Eastern Bank ltd jobs circular 2018

Eastern Bank Limited job circular 2018

Primary School job circular 2018

Protected: Content

Bangladesh-china Power company Limited job circular 2018

Career with Ministry of Power, Energy and Mineral Resources